The 4th Hand Embroidery Competition ’13 and design workshop were held at Charupith gallery in Jessore town recently. Art school Charupith and Fashion House Fhore jointly organised the competition with the assistance of Kapatakshha, a Japanese NGO. One hundred and ten contestants competed in three phrases.

Mamun-ur Rashed, director of Fhore said that Jessore is famed for its hand stitches. The event aims to preserve this rich art, he said.
Designer Chandra Shekhar Shaha, principal Mahabub Jamal Shamim, craft masters Amina Begum and Tratini Shaha were the juries of the competition. At the inaugural session of the competition, a design workshop was held where participants were provided a design, fabric and training to develop their skills.

৪র্থ সূচিশিল্প প্রতিযোগিতা ২০১৩
সূচিশিল্প প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত রাউন্ডে অংশ নিয়েছেন ২৮ জন। শুক্রবার সকালে যশোরের চারুপীঠ অঙ্গনে নির্ধারিত ডিজাইনে কাপড়ে ফোঁড় তুলে শীর্ষে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় একাগ্র হয়ে কাজ করছেন তারা।
চতুর্থবারের মতো ফোঁড় ও চারুপীঠের আয়োজনে যশোরে শুরু হয় এ প্রতিযোগিতা।
কপোতাক্ষ জাপানের সহায়তায় এবারের প্রতিযোগিতায় রেজিস্ট্রেশন করেন ২১৫ জন অংশগ্রহণকারী।
২৬ সেপ্টেম্বর চারূপীঠ অঙ্গন ও শহরতলীর জামরুলতলায় দুটি স্থানে প্রতিযোগীদের ওয়ার্কশপের মাধ্যমে প্রথমে কাজ দেয়া হয়। নির্দিষ্ট ডিজাইনে তারা বাড়িতে বসেই কাপড়ে তা সেলাই করে জমা দেন।
এরপর সেই কাজ থেকেই দ্বিতীয় দফার জন্য বাছাই করা হয় ত্রিশ প্রতিযোগীকে। ২৫ অক্টোবর তাদের আরেকটি ওয়ার্কশপে বিস্তারিত জানানো হয়। সেখানে নতুন করে আরেকটি ডিজাইন ও প্রয়োজনীয় উপকরণ দেয়া হয়। অংশগ্রহণকারীরা বাড়িতে বসে সেই কাজ সম্পন্ন করেন। ১৪ নভেম্বর তাদের শিল্পকর্ম জমা পড়ে।
সেখান থেকে যাচাই-বাছাই করে মাত্র দুজনকে বাদ দেয়া হয়।
২৮ জন উত্তীর্ণ হন চূড়ান্ত রাউন্ডে। শনিবার তারা চারুপীঠে বসেই নির্ধারিত ডিজাইনে তাদের সূচীকর্ম শুরু করেন।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান ফোঁড়-এর নির্বাহী পরিচালক মামুনুর রশিদ জানান, এখান থেকে শীর্ষ ১০ জন বাছাই হবেন। প্রথম থেকে তৃতীয় স্থান অধিকারীরা পুরস্কার হিসেবে পাবেন যথাক্রমে নগদ ৮ হাজার, ৬ হাজার এবং তিন হাজার টাকা। পরের ৭ জন প্রত্যেকে পাবেন এক হাজার করে টাকা। সেইসাথে তাদের একটি করে সনদ দেয়া হবে। তাছাড়া অংশগ্রহণকারী অন্য ১৮ জনের প্রত্যেকেকেই নগদ টাকা দেয়া হবে।
তিনি বলেন, প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দেশের প্রখ্যাত ডিজাইনার চন্দ্রশেখর সাহা, শিল্পী মাহবুব জামাল শামিম, আমেনা বেগম ও তটিনী সাহা উপস্থিত ছিলেন।
চারুপীঠের অধ্যক্ষ মাহবুব জামাল শামিম জানান, যশোরের ঐতিহ্য সূচীশিল্পের প্রসার, বিকাশ ও আন্তর্জাতিকভাবে বিপণনের উদ্দেশ্যে মূলত এ আয়োজন। ইতোপূর্বে তিনবার এ ধরনের প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়েছে।
৩০ নভেম্বর স্থানীয় শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।